জসিম উদ্দীন অন্তু (রিপোর্টার) : গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে কারফিউ চলাকালীন (২২ জুলাই) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতা আজমাইন সাকিবকে গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন চালায় ফ্যাসিস্ট পুলিশ। এতে মাথায় ও কানে গুরতর আঘাতে কানের পর্দা ফেটে যায় তরুণ বিপ্লবী এই ছাত্রনেতার।
আজ ২ আগষ্ট (শনিবার) বাংলাদেশ ই এন টি হাসপাতালে তার অপারেশন হচ্ছে। আহত ছাত্রনেতা সাকিবের পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন। বাউফল পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন আজমাইন সাকিব।
অপারেশর পূর্বে আজমাইন সাকিব বলেন, ২২ জুলাই ২০২৪, বরিশাল মহানগরে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন বিকাল ৪টার দিকে আমি আজমাইন সাকিব গ্রেফতার হই। আমাকে সরাসরি থানায় না নিয়ে একটি গোপনস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে পুলিশ বাহিনী মারাত্মক শারীরিক নির্যাতন করে।
তিনি বলেন, আমার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ খুঁজে পায় পুলিশ বাহিনী। বারবার আমার বাসায় আমি জানাতে বললেও পুলিশ তা অস্বীকার করে এবং পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়েই দীর্ঘ সময় ধরে আমাকে আটকে রাখে ও নির্যাতন চালায়।
আজমাইন সাকিব আরো বলেন, প্রায় ৬ ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় আমাকে ঘুম পারিয়ে রাখা হয়। পরে রাত ১২টার দিকে আমাকে থানায় নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করা হয়। সেখানে আমাকে নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে এ ধরনের মামলা রুজু করা হয়।
তবে ৫ আগস্ট ২০২৪, সরকার পতনের পর আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তদন্ত শেষে পুলিশ জানায়, আমি কোনো অপরাধে জড়িত ছিলাম না। এর পূর্বেও আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামি হিসেবে হয়রানির শিকার হয়েছি বলে জানান ছাত্রদলের এই নেতা।














Leave a Reply