একটি সম্পর্কে ভালোবাসার পাশাপাশি বিশ্বাস, শ্রদ্ধা আর মানসিক সংযোগই হলো মূল ভিত্তি। তবে অনেক সময়ই সেই বিশ্বাসে চির ধরে। আচরণে অদ্ভুত পরিবর্তন দেখা যায় প্রিয়জনের। তখনই প্রশ্ন জাগে—সে কি সৎ? সঙ্গী কি অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন?
এই সন্দেহ এমনিতে হুট করে আসে না, বরং নানা আচরণ ও পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে তা ধীরে ধীরে মনে দানা বাঁধে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ আছে, যেগুলো পরোক্ষভাবে জানিয়ে দেয়—কারও মনে গোপন কিছু লুকানো আছে কি না।
আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন-
আগে যে সঙ্গীটি নিজের মোবাইল ফোন খোলামেলাভাবে ব্যবহার করতেন, তিনিই হঠাৎ করে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলেন বা ফোনে বারবার চোখ রাখেন—এমনটা হলে খটকা লাগতেই পারে। কিংবা হয়তো তিনি আগে নিয়মিত সময়মতো বাড়ি ফিরতেন, কিন্তু ইদানীং কাজের অজুহাতে ফিরছেন অনেক দেরিতে। এ ধরনের আচরণে সাবধান হওয়া জরুরি।
অতিরিক্ত উত্তেজনা বা অস্থিরতা-
পরকীয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয় বলে জানাচ্ছে গবেষণা। হঠাৎ করে তুচ্ছ বিষয়ে রেগে যাওয়া বা অকারণেই অতিরিক্ত যত্ন দেখানো—দুটিই হতে পারে ভেতরে কিছু লুকানোর লক্ষণ।
শরীরের ভাষায় গোপন সংকেত-
শুধু কথাবার্তা নয়, শরীরের ভাষাও অনেক কিছু বলে দেয়। চোখে চোখ পড়লে এড়িয়ে যাওয়া, হঠাৎ নিজেকে খুব আকর্ষণীয় করে তুলতে চাওয়া—নতুন ধরনের পোশাক, সুগন্ধি কিংবা চেহারায় বাড়তি যত্ন এসবও হতে পারে ইঙ্গিত।
তবে মনোবিজ্ঞানীরা একথাও মনে করিয়ে দেন—এই সব লক্ষণ মানেই যে সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন, তা নয়। কাজের চাপ, মানসিক অবসাদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনেও এমন পরিবর্তন আসতে পারে।
সন্দেহ নয়, দরকার খোলামেলা আলোচনা-
সন্দেহ দেখা দিলে সম্পর্কটিকে আরও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। রাগ বা অভিযোগের বদলে কৌতূহল আর সহানুভূতির জায়গা থেকে প্রশ্ন করলেই অনেক ভুল বোঝাবুঝি মিটে যেতে পারে।












Leave a Reply