বাউফল প্রতিদিন ডট কম

বাউফলের কথা বলে

বাউফলে উৎসবমুখর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করলেন বিএনপি নেতা ইঞ্জি.ফারুক

অন্তু হাওলাদার (রিপোর্টার) : বাউফলে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব একেএম ফারুক আহমেদ তালুকদার।

আজ ৩ সেপ্টম্বর (বুধবার) বিকেল ৪টায় বিএনপির কেন্দ্রী কমিটির নির্বাহী সদস্য ও শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফারুক তালুকদারের নেতৃত্বে বিকেল সাড়ে ৪টায় হাসপাতালরোস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে সামনে থেকে ঢাকঢোল বাজিয়ে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে।

র‌্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূখ্য ভুমিকা পালন করেন বাউফল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক জনপ্রিয় কমিশনার মো. হুমায়ূন কবির।

শোভাযাত্রায় কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি ঘটিয়ে চমক দেখান পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ। এ সময় পুরো আয়োজন জুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। যেন উৎসবমুখর পরিবেশে আবির্ভূত হয় অনুষ্ঠানটি। সবার চোখেমুখে ছিল উল্লাস আর উদ্দীপনা।

এছাড়া যুবদল নেতা রাজিব শিকদারের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা প্রাণ ফিরে পায়। অগনিত কর্মী সমর্থক নিয়ে যুবদলের এই নেতা যোগ দেন শোভাযাত্রায়। আর উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন শোভাযাত্রায় তার নেতৃত্বে কয়েকশত নেতাকর্মী নিয়ে হাজির হন।

বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সফল করতে কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপির জনপ্রিয় নেতা আলহাজ হালিম মিয়া কয়েত হাজার নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা নেচে গেয়ে, স্লোগানে স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন। জানান দেন দলের প্রতি অগাধ ভালোবাসার।

এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব একেএম ফারুক আহমেদ তালুকদারের বাসভবনে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আতশবাজি ফুটিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে ইঞ্জিনিয়ার ফারুকের নেতৃত্বে আরো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ বছর আওয়ামী ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে নিজের অস্তিত্ব হুমকির মুখে ফেলেন ডেল্টা গ্রুপের কর্নধার বিশিষ্ট শিল্পপতি একেএম ফারুক আহমেদ তালুকদার। নিজের রক্ত পানি করে তিলে তিলে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের ধারপ্রান্তে নিয়ে যায় শেখ হাসিনার অবৈধ সরকার।

শুধু তাই নয়, হামলা-মামলা থেকে শুরু করে ঋণের বেড়াজালে তাকে ফাঁসানো হয় নানান কূটকৌশলে। কারণ একটাই তার। বিএনপির ত্যাগি নেতা হিসেবে নিজেকে দলীয় হাইকমান্ডে প্রমাণিত করা। আওয়ামী অপ রাজনীতির বলি হয়ে নিজেকে শেষ পর্যন্ত সফল শিল্পপতি থেকে আবিস্কার করেন ঋণগ্রস্ত এক ব্যবসায়ীতে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। কোনোভাবেই যেন দমানো যায় না শিল্পপতি একেএম ফারুক আহমেদ তালুকদারকে। আর্থিক, মানসিক ভূমিধ্বস ক্ষতির সম্মূখিন হওয়ার পরেও একচুল নড়েননি তিনি। বিএনপি থেকে যাননি কোনো দলে। প্রস্তাবও এসেছিল বড় বড় দলের বড় বড় পদের। তবে বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে খারাপ সময়েও করেনি দল পরিবর্তন। তাই তাকে দলের হাইকমান্ড এখন খেতাব দিচ্ছে-দুসময়ের নিবেদিত কর্মীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *